পেটের মেদ কমাতে স্লিমিং বেল্টের চাহিদা তুঙ্গে !!

পেটের মেদ কমাতে স্লিমিং বেল্টের চাহিদা তুঙ্গে !!

বাঙালি রসনা বিলাসী। যে কারণে প্রায় অনেকেরই মেদ ভুরি লক্ষ্য করা যায়। আর এই মেদ, ভুরি কমানোর চিন্তাও করেন তারা  তবে কোনো কায়িক পরিশ্রম না করেই। বিষয়টা এমন যে খাওয়াও কমবোনা আবার মেদ ও কমাতে হবে। যা সম্ভব হবে কোনো শারীরিক পরিশ্রম ছাড়াই !

ব্যাবসায়ীদের জ্ঞানই হচ্ছে , সব মানুষের চিন্তাকে ধারণ করা। আর এসব ধরণের ভুরি -মেদওয়ালাদের জন্য বাজারে আছে বিভিন্ন রকমের স্লিমিং বেল্ট। যা দিনে তিন ঘন্টা করে এক নাগাড়ে তিন মাস  ব্যবহার করলেই পিটার ভেতর মেদ গোলে পেট হয়ে যাবে ফ্ল্যাট!

খাওয়াও কমলোনা পরিশ্রম বা ব্যায়াম ও করতে হলোনা।  তবে পেট ঠিকই কমে গেলো ! আহা, এমন সুযোগ কে না নিতে চায় ! এই যখন প্রলোভন তখন ঠিকই বেড়েছে এসব স্লিমিং বেল্টের পণ্য।  কারণ সারাদিন পরিশ্রমের পর আমাদের আর ব্যায়ামের ইচ্ছে হয় না , আবার সকালে আমাদের কর্ম ব্যস্ততার কারণে ইচ্ছে থাকলে ও ব্যায়ামের সুযোগ হয়ে ওঠেনা তাই স্লিমিং বেল্ট বা স্লিমিংওয়ার ই ভরসা।

বিশেষ কায়দায় বানানো এই স্লিমিংওয়ারের কোনো চেন বা বোতাম নেই। নিচ থেকে প্যান্ট বা পাজামার মতো পরতে হয়। টানলে একটু প্রসারিত হয়। চওড়া ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি হবে। কোমরের সাইজ অনুযায়ী একেকটির ব্যাস একেকরকম।

ডাক্তারদের মতামত অনুযায়ী এসব বেল্ট বৈজ্ঞানিক ভাবে তৈরি করা যা আপনাকে বিশ্বাস যোগ্য ফলাফল দেয় তাতে আপনার আস্থা অবশ্যই বাড়বে এসব প্রোডাক্টের উপর।  তাই এসব স্লিমিং প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে বিচলিত হবেননা।

আসুন জেনে নিই কয়েকটি ন্যাচারাল পদ্ধতি যা আপনাকে শরীরের অবাঞ্ছিত মেদ থেকে রক্ষা করবে। তাতে একটু কষ্ট তো আছেই  যেখানে স্লিমিং বেল্ট থেকে পাচ্ছেন নির্ঝঞ্ঝাট উপকার .

১. প্রতিদিন সকালটা শুরু করুন লেবুর সরবত দিয়ে। এটা হলো পেটের মেদ কমানোর সবচেয়ে কার্যকরী ১টি পদ্ধতি। ১টি গ্লাসে হালকা গরম পানি নিয়ে তাতে লেবু চিপে সরবত করে নিন। সাথে একটু লবণ মিশিয়ে নিবেন। ইচ্ছে হলে একটু মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু চিনি মিশাবেন না। প্রতিদিন সকাল বেলা এই সরবতটি পান করুন। এই সরবত আপনার বিপাক প্রক্রিয়া বাড়ায় এবং পেটের মেদ কমায়।

২. সাদা ভাত কম খান অথবা কিছুদিনের জন্য ছেড়ে দিন সাদা চালের ভাত খাওয়া। সাদা চালের ভাতের বদলে বিভিন্ন গম জাতীয় শস্য যুক্ত করে নিন আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়। তাছাড়া লাল চালের ভাত, গমের রুটি , ওটস, অন্যান্য শস্য যুক্ত করে নিতে পারেন।

৩. চিনি জাতীয় খাবার থেকে দূরেই থাকুন একটু। অর্থাৎ চিনিকে না বলুন এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন মিষ্টি, চকলেট, আইসক্রিম, ফিরনী, সেমাই ইত্যাদি থেকে কিছুদিন এর জন্য বিদায় নিয়ে নিন।

৪. উচ্চ তেল যুক্ত খাবার এবং কোল্ড ড্রিঙ্কস গুলো শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চর্বি জমিয়ে রাখে। যেমন আমাদের পেট কিংবা উরু। সুতরাং বুঝেই ফেলেছেন যে এই খাবার গুলো তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিতে হবে।

৫. প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন যদি আপনি আপনার পেটের মেদ কাটিয়ে উঠতে চান তবে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান আপনার শরীরের বিপাকের হার বাড়ানোর পাশাপাশি আপনার শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলোকে দূর করে দিবে। তাই পানিকে প্রাকৃতিক ক্লিঞ্জার বলা হয়।

৬. কাঁচা রসুনের কয়েক কোয়া সকাল বেলা চুষে খান এবং তার পরে লেবুর সরবতটি খান। এই চিকিৎসাটি আপনার ওজন কমানোর জন্য সাহায্য করবে এবং শরীরের রক্ত প্রবাহ সহজ করবে।

৭. যতদিন পেটের মেদ না কমবে ততদিন নন-ভেজ খাদ্য অর্থাৎ মাংস, মাছ, দিম, দুধ বাদ দিতে হবে। তবে মাছের টুকরোর চামড়া ফেলে খাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তুলনামূলক কম খাওয়া উচিত।

৮. খাদ্য তালিকাটি ফল আর সবজি দিয়ে পরিপূর্ণ করে নিন। প্রতিদিন সকাল এবং বিকাল এই দুই সময় ফল ও সবজি খান। তবে এক্ষেত্রে পানি জাতীয় ফল বাছাই করুন। এই অভ্যাসটি আপনার দেহে এন্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজলবণ এর ঘাটতি পূরণ করবে।

৯. ঝাল খাবার খান। অবাক হচ্ছেন? অবাক হবেন না। ঝাল খাবেন কিন্তু ঝাল গুলো আসবে দারচিনি, আদা, গোলমরিচ এবং কাঁচামরিচ থেকে। এগুলো রান্নায় ব্যবহার করুন। এই মশলা গুলো স্বাস্থ্যকর। এগুলো শরীরের ইনসুলিন সরবরাহ বাড়ায় এবং রক্তের সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। তাই এগুলো ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও বেশ উপকারী।

১০. সবকিছুর পরেও মেদ কমাতে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। মনে মনে ভাবছেন সব খাবারই নিষিদ্ধ। কিন্তু সুন্দর ও সুস্থ দেহ পেতে হলে কিছুটা তো সহ্য করতেই হবে। কথায় আছে না “কিছু পেতে হলে কিছু হাড়াতে হয়।

স্লিমিং বেল্ট অর্ডার করতে ভিজিট করুন এই লিংকে 

http://www.goponjinish.com/en/149-slimming-belt

Posted on 2017-07-04 0 2700

Leave a CommentLeave a Reply

You must be logged in to post a comment.

Blog archives

Blog categories

Latest Comments

No comments

Blog search

Recently Viewed

No products

Menu

Compare 0