ভেজাইনাল ইচিংয়ে কি করবেন!!!

ভেজাইনাল ইচিংয়ে কি করবেন!!!

ভেজাইনাল ইচিং বা ভেজাইনার চুলকানি নারী শরীরের একটি প্রচলিত ব্যাধি। মেয়েশিশুর জন্মের পর থেকে ৫৫ বছর পর্যন্ত এ সমস্যা হতে পারে। ফাংগাল ইনফেকশন, মিক্সড ইনফেকশন, ট্রাইকোমোনিয়াস, ভেজাইনার শুষ্কতা—এসব কারণে ভেজাইনাল ইচিং হতে পারে। এটি নারীকে বেশ অস্বস্তিকর অনুভূতির মধ্যে ফেলে।

ইচিং কেন হয়??

মেনোপজের সময়:

অনেকের ক্ষেত্রে মেনোপজের সময় ভেজাইনাল ইচিং হতে পারে।

ছোট কৃমির ফলে:

ছোট কৃমির সংক্রমণের কারণে হতে পারে।

জরায়ু মুখের ক্যানসার:

জরায়ু মুখের ক্যানসারও ইচিং হওয়ার একটি বড় কারণ।

সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড অসুখ

সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড অসুখের কারণেও ইচিং হতে পারে।

ইচিং প্রতিরোধে:

  • ইচিং রোধ করার সবচেয়ে বড় বিষয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই এটি এড়ানো সম্ভব।
  • এসব ক্ষেত্রে সিনথেটিক পেন্টি ব্যবহার না করাই ভালো। সিনথেটিক প্যান্টি ব্যবহার ইচিংয়ের কারণ হতে পারে। তাই সুতি কাপড়ের প্যান্টি ব্যবহার করা ভালো।
  • অন্তর্বাস গরম পানি দিয়ে ফুটিয়ে ব্যবহার করতে হবে।
  • ইচিং হলে ভেজাইনা লবণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
  • স্পর্শকাতর স্থানে কম সাবান ব্যবহার করতে হবে। বেশি সাবান ব্যবহারের ফলে শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

এসবের পরও যদি চুলকানি বা জ্বালাপোড়া ভাব না কমে, তাহলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

প্রতিকারমূলক:

  • ভেজাইনাল ইচিং যদি মিক্সড ইনফেকশনের কারণে হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টি-ফাংগালজাতীয় ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।
  • এ সময় রোগীকে লোকাল ভেজাইনাল ক্রিমও লাগাতে দেওয়া হয়। পাশাপাশি খাওয়ার ওষুধও দেওয়া হয়।
  • ইচিং যদি ছোট কৃমির কারণে হয়, তাহলে কৃমিনাশক ওষুধ ব্যবহার করতে দেওয়া হয়।
  • যদি রোগী বিবাহিত হয়, তবে স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে চিকিৎসা নিতে হয়।
  • ইচিং হওয়ার সময়ে ইন্টারকোর্স না করাই ভালো।

অনলাইনে ফিমেল হাইজিন কেয়ারের  প্রোডাক্ট কিনতে ভিজিট করুন  www.goponjinish.com/en/12-female-hygiene-care

Posted on 2017-10-18 0 2308

Leave a CommentLeave a Reply

You must be logged in to post a comment.

Blog archives

Blog categories

Latest Comments

No comments

Blog search

Recently Viewed

No products

Menu

Compare 0